মেনু নির্বাচন করুন

রাজু কটেজ

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলারই একটি এলাকা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পান্থশালা। আর এ পান্থশালাটি এখন নতুন আকর্ষণ হিসেবে ভ্রমণ পিপাসুদের হৃদয়ে স্থান পেয়েছে। এখানে আসলেই মনে পড়ে যায় বাংলাদেশের সংগীত জগতের এক অনন্য সংগীত ব্যক্তিত্ব সৈয়দ আব্দুল হাদীর এই গানটি...!
এই পৃথিবীর পান্থশালায়, গাইতে গেলে গান,
কান্না হয়ে বাজে কেন, বাজে আমার প্রাণ।”
কিন্তু এখানে কান্না নয়, আনন্দ হাসি আর দখিনা বাতাসে মন প্রাণ হারিয়ে যায় অন্য জগতে। মেঘনা, বক্ষ্রপুত্র ও আঁিড়য়াল খাঁ এই তিনটি নদীর-ব-দ্বীপের নাম প্রাচীন যুগে প্রথমে কালিদহ সাগরের চর, রায়নন্দনপুর ও পরে রায়পুরা নামে পরিচিতি লাভ করে। পূর্ব-পশ্চিম রেখা ধরে এঁকে বেঁকে প্রবাহিত মেঘনার ঠিক পাড় ঘেষেই একটি এলাকা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে পান্থশালা। অল্প কিছুদিন আগেও এ স্থানটি ছিল একেবারেই নিরিবিলি, ধুঁ ধুঁ বালুচর। এ বালুচরের বুক চিরে রায়পুরা সদর থেকে বাঁশগাড়ী বাজার পর্যন্ত ১১.০৮ কি. মি. পীচ ঢালা পাকা রাস্তা ও প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রথম মেঘনার উপর সদ্য নির্মিত হয়েছে ২৪০ মি. দৈর্ঘ্য একটি সেতু। সাথেই দুর্গমচরাঞ্চলের বাসিন্দাদের যাতায়াতের সুবিধার্থে মেঘনা নদী পাড়াপাড়ের জন্য একটি ফেরিঘাটও স্থাপন করা হয়েছে। আর এ ঘাটের নাম করণই হলো পান্থশালা। দেখতে দেখতে দু’পাশ ঘিরে গড়ে উঠেছে বাহারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। বলতে গেলে ২৪ ঘন্টাই নিরিবিলি কাটিয়ে জনবহুল হয়ে উঠেছে এ স্থানটি। চরাঞ্চলবাসীদের সন্ধার পর বাড়ি ফেরার ভয় ছিল এখন আর নেই। গভীর রাতেও বাড়ি ফেরার সু-ব্যবস্থা হিসেবে ফেরি এবং নৌকা দুটিই দন্ডায়মান। আর এসব স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে যিনি দিনরাত নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি হচ্ছেন নরসিংদীর রায়পুরা থেকে একাধিক বার নির্বাচিত এমপি সাবেক মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু। 
বর্ষার যৌবনে উত্তাল মেঘনার বিশাল ঢেউ যখন দূর থেকে ভেসে এসে বিস্তীর্ণ পাড়ে, ফেরির জেডিটে জল ছিটকে এসে গায়ে পড়ে, তখন চঞ্চল মন হারিয়ে যায় দখিনা বাতাসে। ঠিক পূর্বপার্শ্বেই দাঁিড়য়ে আছে রাজু কটেজ। বিশিষ্ঠ ব্যক্তি বা নেতাকর্মীরা এখানে এসে খানিকক্ষণ বিশ্রাম নেয়। ঠিক পূর্ব-উত্তর কোন ঘেঁষেই নির্মিত হচ্ছে মিনি চিঁড়িয়াখানা ও বিনোদন পার্ক। প্রতিদিনই পড়ন্ত বিকেলে দূর দুরান্ত থেকে আসা শত শত দর্শনার্থীদের দর্শন মিলে এই পান্থশালায়।


Share with :
Facebook Twitter